সোনাতলায় যৌতুকের দাবিতে মারপিটের অভিযোগে জামাইয়ের বিরুদ্ধে শ্বশুরের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
প্র
প্রতিকী ছবি
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দক্ষিণ আটকরিয়া গ্রামে যৌতুকের দাবিতে মারপিটের অভিযোগে জামাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে শ্বশুড়-সোনাতলার খোদাদিলেরপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল কুদ্দুস।
সোনাতলা থানায় করা মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, সোনাতলা উপজেলার দক্ষিণ আটকরিয়া গ্রামের মৃত টুকু আকন্দের ছেলে মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দের সাথে তার মেয়ে কুলসুম খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই কুলসুম খাতুনের শাশুড়ি মোছাঃ পারুল বেওয়া ও স্বামী মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দ আমার মেয়ের সাথে কারণে-অকারণে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। এর মধ্যেই আমার মেয়ের কোলে আসে দুই সন্তান। চার বছর আগে আমাদের প্রদানকৃত ধার নেওয়া ৬লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মালশিয়ায় যায় জামাই মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দ । বিদেশে যাওয়ার পর কিছুদিন ভাল থাকলেও মাত্র অল্পদিন পরে মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দ তার মা পারুল বেওয়ার পরামর্শে আমার মেয়ের ও তার সন্তানদের ভরণ- পোষনের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। সে এখন পর্যন্ত আমার কাছ থেকে নেওয়া ধার করা টাকাও পরিশোধ করে নাই। এখন থেকে একমাস আগে আমার জামাই বিদেশ হতে বাড়িতে এসে কিছুদিন আমার মেয়ের সাথে ভাল আচরণ করলেও বিদেশ যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসলে গত ২১-০৭-২৬ তারিখে রাত অনুমান ১১ টার সময় তার মায়ের কু-পরামর্শে আমার মেয়ের নিকট ২ লাখ টাকা দাবি করে। আমার মেয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে দক্ষিণ আটকরিয়া গ্রামে আমার জামাই মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দের শয়নঘরের মধ্যে বাশের লাঠি দিয়ে আমার মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে। আঘাতটি আমার মেয়ে ডান হাত দিয়ে প্রতিহত করলে কনুইয়ের উপরিঅংশে লেগে ভেঙে গিয়ে গুরুতর জখম হয়। এরপর মোঃ মামরুল ইসলাম আকন্দ ওড়না পেঁচিয়ে আমার মেয়েকে হত্যার চেষ্টা করে। আমার মেয়ের আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে প্রাণে রক্ষা করে। ঘটনাটি লোকমুখে জানতে পেরে গুরুতর জখমী অবস্থায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাই। শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমার মেয়েকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন আছে।



