
সোনাতলায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠদের সম্মাননা প্রদান

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি

“তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রোকসানা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসী, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা এবং মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দু আলিমসহসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসার ডা. শরিফা নুসরাত। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পরিবার পরিকল্পনা, নিরাপদ মাতৃত্ব, মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠদের মাঝে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—
শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী: মোছাঃ সাহেরা বেগম।
শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী: সোনাতলা সদর ইউনিয়ন।
শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা: খন্দকার জোবেদা আখতার।
শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক: হৃদয় আহমেদ আকাশ।
শ্রেষ্ঠ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার: মো. মাহবুব হাসান (ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র)।
শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র: দিগদাইড় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।
শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ: সোনাতলা সদর ইউনিয়ন পরিষদ।
শ্রেষ্ঠ উপজেলা: সোনাতলা উপজেলা।
অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় বক্তারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা সেবা সম্প্রসারণ, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং সুস্থ, সচেতন ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



