সোনাতলা সরকারি নাজির আখতার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জামায়াত নেতা প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার

বগুড়ার সোনাতলা সরকারি নাজির আকতার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সোনাতলা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,লেখক,সাহিত্যিক সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞা(৮৫) গত রোববার বিকাল আনুমানিক তিনটায় তার নিজ বাসভবন গাইবান্ধা জেলা সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে ইন্তেকাল করেছেন ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রীসহ অনেক আত্নীয়-স্বজন রেখে গেছেন। মরহুমের মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নিবার্হী সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন,গাবতলি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ক্বারী মাওলানা আব্দুল মজিদ। সোমবার সকাল দশটায় নাজির আকতার কলেজ মাঠে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার,সাবেক বগুড়া জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন,জেলা কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মোজাহিদুল ইসলাম খান,সোনাতলা উপজেলা আমীর সহকারী অধ্যাপক ফজলুল করিম, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এটিএম মাহবুব-ই- এলাহি,সরকারি নাজির আকতার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মঞ্জুর কাদের,ইসলামী ব্যাংক বগুড়া জোন প্রধান শিকদার মোঃ শিহাব উদ্দিন,ফাতেমা কল্যাণ ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল ইসলাম, সোনাতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মণ্ডল,সোনাতলা পৌর সভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম,অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মোমেন,উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রভাষক মাওলানা রবিউল ইসলাম,সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বগুড়া অফিস প্রধান মিনাজুল ইসলাম মিজান,শ্রমিক নেতা ডাঃ নুরুল আমীন সরকার,পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাকুল ইসলাম প্রমুখ। আব্দুল জলিল মিঞা কর্মজীবনে দৈনিক সংগ্রামে দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেছেন।মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা তার নিজ বাসভবন সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে বাদ যোহর অনুষ্ঠিত হয়।জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
শোক বাণীঃ জামায়াতনেতা প্রফেসর মুহম্মদ আব্দুল জলিল মিঞায় মৃত্যুতে শোকবার্তায় নেতৃত্ব বলেন,আব্দুল জলিল মিঞা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণপুরুষ ছিলেন।সারাজীবন তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কাজ করেছেন।তাঁর শূন্যস্হান কোনদিন পূরণ হবার নয়।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দাওয়াত কাজ করতে গিয়ে তিনি নিভৃত পল্লী অঞ্চলে সফর করেছেন।আল্লাহপাক তার জীবনের গুনারাশীকে ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের একজন মেহমান হিসাবে কবুল করে নিন।এছাড়াও নেতৃত্ব শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।



