স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় মাইক্রোবাস চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গত ৮ মে সোনাতলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন মাইক্রোবাসটির মালিক সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মোঃ আব্দুল হক শেখের ছেলে মোহাম্মদ মুকুল হাসান। দায়ের করা মামলায় (মামলা নং-৫, ধারা-৩৭৯, পেনাল কোড- ৮৬০) চুরি যাওয়া মাইক্রোবাসের মালিক মোহাম্মদ মুকুল হাসান উল্লেখ করেছেন, তাঁর ক্রয়কৃত টয়োটা কোম্পানির মাইক্রোবাস (ইঞ্জিন নং-1t-rO-05-88-76, চেসিস নং- tr-h2-00-00-01-83-9, নিবন্ধন নং-Chottogram Metro-CHA-11-4156, রঙ- সিলভার, ২০২৪ সালের মডেল) অনুমান দুইমাস আগে সোনাতলা উপজেলার উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মোঃ রেজাউল করিমের ছেলে মোঃ শিহাব উদ্দিনকে ভাড়ায় চালানোর জন্য দেন। গত ০৩-০৫-২৬ তারিখে ড্রাইভার মোঃ শিহাব উদ্দিন রাত ১১ টার দিকে মাইক্রোবাসটি সোনাতলা উপজেলাধীন বালুয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত উত্তর আটকরিয়া (ঠেঙ্গামারা) গ্রামে মোঃ শিহাব উদ্দিনের বসতবাড়ির সামনে পাকা রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে রেখে বাড়িতে চলে যায়। পরদিন (০৪-০৫-২৬) ভোর ৪ টা ৫৫ মিনেটের সময় ড্রাইভার মোঃ শিহাব
উদ্দিনের পিতা মোঃ রেজাউল করিম নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসটি দেখতে না পেয়ে মোঃ শিহাব উদ্দিনকে ডেকে তুললে তিনিও দেখেন যে মাইক্রোবাসটি সেখানে নেই। মোঃ শিহাব উদ্দিন মোবাইল ফোনে বিষয়টি মালিক মোহাম্মদ মুকুল হাসানকে জানালে মুকুল হাসান ঘটনাস্থলসহ আশপাশে মাইক্রোবাসটি খুঁজতে থাকেন। অনেক খুঁজেও না পেয়ে তিনি নিশ্চিত হন যে, ০৩-০৫-২৬ তারিখ রাত ১১ টা হতে ০৪-০৫-২৬ তারিখ ভোর ৪ টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে যেকোন সময় ড্রাইভার মোঃ শিহাব উদ্দিনের উত্তর আটকরিয়াস্থ বসতবাড়ির সামনে পাকা রাস্তার দক্ষিণ পাশ থেকে অজ্ঞাত চোর মাইক্রোবাসটি চুরি করেছে। পরে তিনি সোনাতলা থানায় মামলা দায়ের করেন। এবিষয়ে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাতলা থানার সাব-ইনস্পেক্টর গৌতম চক্রবর্ত্তী জানান, ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীর লোকেশন শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনার জট উন্মোচনে তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।’ সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন জানিয়েছেন, মাইক্রোবাস চোর শনাক্তের মাধ্যমে গ্রেপ্তারে সচেষ্ট রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।